চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার গাজীরটেক এলাকায় স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে একটি সাঁকো নির্মাণ করেছেন কৃষকদলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও স্পেন প্রবাসী আলমগীর কবির।
জানা গেছে, প্রায় দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাঁকোটি গত ৩১ জুলাই বিকেল ২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। সাঁকোটি চালু হওয়ায় এলাকার কৃষকরা সহজেই ফসল আনা-নেওয়া করতে পারবেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতও অনেক সহজ হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির প্রস্তুতি কমিটির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, প্রস্তুতি কমিটির সদস্য ও সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলমগীর কবিরের ছোট ভাই মোস্তফা কবির, প্রস্তুতি কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর বেপারী, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেনসহ এলাকার অর্ধশতাধিক মানুষ।
স্থানীয়দের মধ্যে শেখ ইউনুস, সরোয়ার, মোতালেব, সোহেলসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, সাঁকোটি নির্মিত হওয়ায় কৃষিপণ্য পরিবহন ও দৈনন্দিন চলাচলের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।
এ বিষয়ে মোস্তফা কবির বলেন, তাঁর বড় ভাই আলমগীর কবির দীর্ঘদিন ধরে নিজ কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজ করে আসছেন। সাঁকো নির্মাণের পাশাপাশি মসজিদ নির্মাণ, ঈদুল ফিতরে বিভিন্ন মসজিদের ইমামদের সহায়তা, অসহায় ও দুস্থ মানুষের চিকিৎসা সহযোগিতা এবং শীতকালে হাজারো মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণসহ নানা মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন, যাতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যায়।
সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, আলমগীর কবির, মোস্তফা কবির এবং হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজের অন্যান্য বিত্তবান ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদেরও জনকল্যাণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।
এলাকার সুশীল সমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আলমগীর কবিরের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত অর্থায়নে জনস্বার্থে এমন অবকাঠামো নির্মাণ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এ ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডে আরও বেশি সম্পৃক্ত হবেন, যা গ্রামীণ জনপদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।